দেশে দেশে বিচিত্র যৌনরীতি, যা কল্পনাও করা যায় না


প্রকাশিত:
২৮ ডিসেম্বর ২০২০ ২৩:০৯

আপডেট:
৪ মার্চ ২০২১ ০৫:৫৪

যৌনতা হল জীবনের অঙ্গ। জীব যতদিন পৃথিবীতে থাকবে ততদিন থাকবে যৌনতাও। তবে যৌনতা থেকে কোনও জীবই মানুষের মত আনন্দ নিতে পারে না। কারণ ঈশ্বর প্রত্যেকটি জীবের প্রজনন ঋতু নির্দিষ্ট করে দিলেও, মানুষকে সে বিপাকে ফেলেননি। ফলে মানুষ যেকোনও ঋতুর যেকোনও মুহূর্তেই যৌনমিলনে লিপ্ত হতে পারে। শুধু ইচ্ছে ও সঙ্গী দরকার। অবশ্য যৌনসঙ্গী না পেলেও মানবজাতি স্বমেহনের মাধ্যমেও যৌন আনন্দ লাভ করতে পারে। যেটা অন্য কোনও প্রাণি পারে না।

ঈশ্বরের থেকে এহেন বর লাভ করার পরেও, যৌনজীবনের একঘেয়েমি কাটাতে মানুষ নিত্য নতুন পদ্ধতি খোঁজার চেষ্টা করে গিয়েছে। এভাবেই মানবজাতির যৌনজীবনে হাজির হয়েছে হরেক রকম বৈচিত্র। কালক্রমে পৃথিবীর নানা দেশে রীতি ও সংস্কৃতির অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে এইসব ব্যতিক্রমী যৌনতা। সমাজগুলি আজও ধরে রেখেছে এমন কিছু যৌন অভ্যাস, যা সভ্য জগৎ ভাবতেই পারে না।

সাম্বিয়া উপজাতি
পূর্ব পাপুয়া (পাপুয়া নিউগিনি)

পাপুয়া নিউগিনির পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় বাস করে সাম্বিয়া বা সিম্বারি আঙ্গা নামে এক দুর্ধর্ষ উপজাতি। পাহাড়ের কোলে সামান্য চাষাবাদ ও ঘন জঙ্গলে শিকার করে এরা জীবন কাটায়। সভ্য জগতের সঙ্গে এদের সম্পর্ক প্রায় নেই বললেই চলে। গত শতাব্দীর মধ্যভাগে আমেরিকার নৃতত্ত্ববিদ গিলবার্ট পৌঁছে গিয়েছিলেন সাম্বিয়াদের কাছে। খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন এদের জীবনযাত্রা। তিনি জানিয়েছিলেন, যৌনতা কীভাবে সাম্বিয়া উপজাতির বিভিন্ন সামাজিক প্রথার অভিন্ন অংশ হয়ে উঠেছে। গিলবার্ট বলেছিলেন, আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগেই সমকামিতাকে স্বীকৃতি দিয়েছে এই উপজাতি। সমকামী যুগলের একসঙ্গে বসবাসও সমাজ স্বীকৃত।

তবে এই উপজাতির মধ্যে এমন একটি প্রথা আছে, যা সভ্য জগতের পক্ষে বিশ্বাস করা কঠিন। এই প্রথা অনুযায়ী, উপজাতির বালকদের সাত বছর থেকে দশ বছর বয়স পর্যন্ত, অর্থাৎ তিন বছর কোনও নারীর সঙ্গে মিশতে দেওয়া হয় না। এমনকি মায়ের কাছ থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয়। এই তিন বছর ধরে সাম্বিয়া বালকদের সারা শরীরে আঁকা হয় উল্কি। চলে নাক ও কান বেঁধানোর কাজ। এই তিন বছর সমাজের আদেশে বালকদের প্রতিদিন পান করতে হয় সাম্বিয়া উপজাতির দুর্ধর্ষ যোদ্ধাদের বীর্য। এই বীর্য পান করার ফলে বালকদের শরীরে নাকি উপজাতির যোদ্ধাদের শক্তি সঞ্চারিত হয়। ভবিষ্যতে তারাও হয়ে ওঠে শক্তিশালী যোদ্ধা।

ট্রোবায়ান্ডার উপজাতি
ট্রোবায়ান্ড দ্বীপপুঞ্জ (পাপুয়া নিউগিনি)

প্রশান্ত মহাসাগরে সাড়ে চারশো কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে আছে ট্রোবায়ান্ড দ্বীপমালা। পাপুয়া নিউগিনির অন্তর্গত এই দ্বীপগুলিতে বাস করে ট্রোবায়ান্ডার নামের এক উপজাতি। কিলিভিলা ভাষায় কথা বলে তারা। ঘন জঙ্গলের মাঝে থাকা উর্বর সমতল জমিতে চাষাবাদ করে থাকে। সেই ফসল ট্রোবায়ান্ডাররা বেচে আশপাশের দ্বীপগুলির মানুষকে। ‘কুলা’ নামে এক ধরনের ঝিনুকের চকচকে খোলাই এদের কাছে টাকা। এই কুলার বিনিময়েই চলে এদের বাণিজ্য।

অত্যন্ত অল্প বয়সে এই উপজাতির ছেলেমেয়েরা প্রবেশ করে যৌনজীবনে। ছেলেরা দশ-বারো বছর এবং মেয়েরা পাঁচ ছ’বছর বয়সেই জড়িয়ে পড়ে শারীরিক সম্পর্কে। বয়স্কদের সামনে দিয়েই বালক বালিকারা দল বেঁধে জঙ্গলে চলে যায় যৌনমিলন করতে। কেউ বাধা দেয় না তাদের। সব চেয়ে অবাক করার মতো তথ্য, এইটুকু বয়সেই তারা তাদের ইচ্ছে মতো যৌনসঙ্গী নির্বাচন ও পরিবর্তন করতে পারে। শুনলে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। এই কাজের জন্য তাদের কোনও শাস্তি পেতে হয় না। কারণ ট্রোবায়ান্ডারদের সমাজ যৌনতাকে খাবার খাওয়ার মতোই স্বাভাবিক ও বাধ্যতামূলক বলে মনে করে।

মানগাইয়া দ্বীপ (কুক দ্বীপপুঞ্জ)

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটি স্বাধীন দ্বীপমালা হল ‘কুক আইল্যান্ড’। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ছড়িয়া থাকা পনেরোটি দ্বীপ নিয়ে তৈরি এই দ্বীপমালার দক্ষিণে আছে ‘কুক’ আইল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ ‘মানগাইয়া’। এই দ্বীপে আছে আজব প্রথা। ছেলেদের বয়স তেরো বছর হলেই, গ্রাম থেকে দূরে থাকা একটি কুঁড়েতে তাদের চলে যেতে হয় বিবাহিতা মহিলাদের সঙ্গে। সেই কুঁড়ে ঘরে, দু’সপ্তাহ ধরে কিশোরটিকে বাধ্যতামূলকভাবে যৌনমিলন করতে হয় তার সঙ্গে থাকা মাতৃসমা বিবাহিতা মহিলাটির সঙ্গে।

অভিজ্ঞ বিবাহিতা মহিলাটি কিশোরকে শিখিয়ে দেন যৌনমিলনের হরেক পদ্ধতি ও আসন। যাতে বালকটি বিয়ের পর স্ত্রীকে বিছানায় খুশি করতে পারে। একবার যৌনমিলনেই কীভাবে যেকোনও নারীকে একাধিকবার চরম পুলক দেওয়া যায়, তা হাতেকলমে কিশোরকে শিখিয়ে দেন মহিলাটি। দু’সপ্তাহে, দিন ও রাত মিলিয়ে অসংখ্যবার যৌনমিলনের নানা রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা নিয়ে গ্রামে ফিরে আসে পরিপক্ক হয়ে ওঠা তেরো বছরের কিশোর।

পাকিস্তানের কালাশ উপজাতি
কালাশ উপত্যকা (পাকিস্তান)

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশে আছে হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণি, যাকে গ্রীকরা বলতেন ‘ককেশাস ইণ্ডিকাস’। সেই হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণির দুর্গম এলাকায় বাস করে এক স্বাধীনচেতা প্রাচীন শেতাঙ্গ জনজাতি। যাদের নাম কালাশ। এদের চুলের রং সোনালি এবং চোখের মণি নীল। এই জনজাতির মানুষগুলির সঙ্গে পাকিস্তানের মানুষদের চেহারা, ধর্ম, সংস্কৃতি, সমাজব্যবস্থা ও খাদ্যাভাসের বিন্দুমাত্র মিল নেই। কালাশদের দেখলে মনে হবে তারা ইউরোপের মানুষ। এই কালাশদের সমাজে একটি অদ্ভুত রীতি আছে।

ছেলেদের বয়স পনেরো বছর হলেই, গ্রীষ্মকালে ভেড়ার পাল দিয়ে ছেলেটিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বরফ ঢাকা উচুঁ পাহাড়ে। পাহাড়ের গুহায় নিজের আশ্রয় খুঁজে নিতে হয় কিশোরকে। খুঁজে নিতে হয় জলের উৎস। কেবলমাত্র ভেড়ার দুধ বা ঝলসানো মাংস খেয়ে কিশোরটিকে বেঁচে থাকতে হয় মাসের পর মাস। একটি কিশোরের পক্ষে ওই দুঃসহ পরিবেশ ও আবহাওয়ায় টিকে থাকা খুবই কঠিন। শীতকাল আসার আগে অবশিষ্ট ভেড়াগুলিকে নিয়ে গ্রামে ফিরে আসতে হয় কিশোরটিকে। কেউ বেঁচে ফেরে কেউ ফেরে না।

যে কিশোর গ্রামে ফিরে আসে, তার সাবালকত্ব লাভ করাকে উদযাপন করার জন্য গ্রামে শুরু হয় ‘বাদুলাক উৎসব’। উৎসবের শেষে গ্রামের যেকোনও বিবাহিত বা অবিবাহিত নারীর সঙ্গে যৌনমিলন করার সুযোগ দেওয়া হয় কিশোরটিকে। গ্রামের নারীরাও মুখিয়ে থাকেন সদ্য সাবালক হওয়া কিশোরটির সঙ্গে যৌনমিলন করার জন্য। পছন্দ করা নারীকে নিয়ে কিশোরকে চলে যেতে হয় গ্রামের বাইরে। সেখানে থাকা একটি বাড়িতে উদ্দাম যৌনমিলনে মেতে ওঠে দুজন। যতদিন কিশোরের খুশি ততদিন সে চালাতে পারে তার প্রথম যৌন সম্পর্ক। ফলে প্রায় সারা শীতকালই উষ্ণতায় কাটায় সদ্য সাবালক হওয়া কিশোররা। শীত কমলে ফিরে আসে গ্রামে।

কম্বোডিয়ার ক্রেয়াং উপজাতি
রাতানাকিরি (কম্বোডিয়া)

কম্বোডিয়ার রাতানাকিরি প্রদেশে বসবাস করে ক্রেয়াং উপজাতি। রাতানাকিরি ছাড়াও অল্পসংখ্যায় এরা বাস করে স্টাং-ট্রেং ও মণ্ডলকিরি এলাকায়। কম্বোডিয়ায় ক্রেয়াং-দের সংখ্যা আজ প্রায় তেইশ হাজার। ক্রেয়াং সমাজে এক অদ্ভুত প্রথা আছে। চোদ্দ বছর বয়স থেকেই কিশোরীরা তাদের ইচ্ছামতো চেনা অচেনা যুবকদের সঙ্গে যৌনমিলন করতে পারে। এবং যতদিন না সে তার পছন্দসই পুরুষটিকে খুঁজে পাচ্ছে, ততদিন কিশোরীটি চালিয়ে যেতে পারে এই অবাধ যৌনমিলন।

অবাক করার মতো ব্যাপার হলো, মেয়েটির পরিবারের লোকরাই তাদের কিশোরী কন্যার জন্য পরিবারে জমিতে বানিয়ে দেন একটি ‘লাভ-হাট’। সেই বাড়িতেই কিশোরীটি রাত কাটায় বিভিন্ন যুবকের সঙ্গে। তারপর উপযুক্ত জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়ার পর, যুবকটিকে নিয়ে বাড়ি ফেরে মেয়েটি। ধুমধাম করে বিয়ে হয়ে যায়। তবে বিয়ের পর সারাজীবন একটি পুরুষ নিয়েই কাটাতে হয় কিশোরীকে।

সেক্স মাউন্টেন
জাভা (ইন্দোনেশিয়া)

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও বালি দ্বীপের মাঝখানে আছে জাভা দ্বীপ। এই জাভা দ্বীপের কেন্দ্রস্থলে আছে একটি পাহাড়। যেটির নাম ‘মাউন্ট কেমুকুস’। জাভার অধিবাসীরা বলেন ‘গুনুং কেমুকুস’। বিশ্ববাসী পাহাড়টিকে চেনেন ‘সেক্স মাউন্টেন’ নামে। এই পাহাড়টির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ধর্মবিশ্বাস ও অদ্ভুত এক যৌনসংস্কার। এই পাহাড়ে আছে জাভার রাজা পাঙ্গেরান সোমোদ্র ও তাঁর সৎ-মা এনাই অন্ত্রউলানের সমাধি।

‘জুমাত পন’ তিথিতে মাউন্ট কেমুকুসে টানা পঁয়ত্রিশ দিন ধরে চলে ‘পন’ উৎসব। রাজা পাঙ্গেরান সোমোদ্র ও তাঁর সৎ মা এনাই অন্ত্রউলানের সমাধি ঘিরে চলে পূজার্চনা। উৎসবের সময় চলে অদ্ভুত সেই প্রথা। উৎসবের এই পঁয়ত্রিশ দিনে, সম্পূর্ণ অপিরিচিত বা অনাত্মীয়ের সঙ্গে সাত বার যৌনমিলন করেন উৎসবে অংশ নেওয়া নারী পুরুষরা। এঁদের বিশ্বাস এর ফলে পুণ্য অর্জন করা যায়। জীবনে আসে সৌভাগ্য। দূর হয় দারিদ্র।

ইনিস বিয়েগ
ইনিস বিয়েগ (আয়ারল্যান্ড)

আয়ারল্যান্ডের সমুদ্রে ভাসছে ‘ইনিস বিয়েগ’ নামে ছোট্ট একটা দ্বীপ। ‘ইনিস বিয়েগ’ শব্দটির অর্থই হল ‘ছোট্ট দ্বীপ’। এই দ্বীপে বাস করেন আইরিশ ভাষায় কথা বলা প্রায় সাড়ে তিনশ ক্যাথলিক খ্রিস্টান। কয়েক শতাব্দী ধরেই তাঁরা আয়ারল্যান্ডের মূলস্রোত থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন সচেতনভাবে। মূলত চাষাবাদ, পশুপালন ও সমুদ্রে মাছ ধরে জীবন কাটিয়ে দেন তাঁরা। ‘ইনিস বিয়েগে’ বসবাসকারী মানুষরা সারা পৃথিবীর মধ্যে কঠোরতম রক্ষণশীলতার মধ্যে বাস করেন। যৌনতাকে এখানে কঠোরভাবে দমন করা হয়। কারণ যৌনতাকে ‘অশুভ’ বলে মনে করা হয়।

একমাত্র সন্তান উৎপাদনে প্রয়োজনেই যৌনমিলনে লিপ্ত হন স্বামী স্ত্রীরা। স্ত্রীর গর্ভে সন্তান এসে গেলে চিরজীবনের জন্য যৌনতাকে বিসর্জন দেন স্বামী-স্ত্রী। ‘ইনিস বিয়েগ’-এ হস্তমৈথুন, পায়ুকাম, মুখমৈথুন ও সমকামিতা নিষিদ্ধ। বিয়ের আগের যৌনমিলনের কথা কেউ ভাবতেই পারেন না। এমনকি প্রেমিক প্রেমিকারা পরস্পরকে আদর বা চুম্বন করার কথাও ভাবতে পারেন না। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল বিবাহিত দম্পতিরা যৌনমিলনের সময়ও সম্পুর্ণ নগ্ন হন না। গাঢ় অন্ধকারে এবং পুরো পোষাক পরে, কেবলমাত্র যৌনাঙ্গ উন্মুক্ত রেখে যৌনমিলনে লিপ্ত হওয়াটাই ‘ইনিস বিয়েগ’ দ্বীপের রীতি।

পলিনেশিয়ান
মার্কেসাস দ্বীপমালা (ফরাসি কলোনি)

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে ভাসছে এই ‘মার্কেসাস আইল্যান্ড’। ফরাসি পলিনেশিয়ার অন্তর্গত এই আগ্নেয় দ্বীপমালার উচ্চতম শৃঙ্গ হল ‘উয়া পৌ’ দ্বীপের মাউন্ট ওয়েভ (৪০৩৫ ফুট)। এই দ্বীপে বসবাসকারী পলিনেশিয়ানদের আজব একটি রীতি আছে। যা শুনলে চমকে উঠতে হয়। এখানকার দম্পতিরা তাঁদের ছেলে মেয়েদের সামনেই যৌনমিলন করে থাকেন। এই রীতি চলে আসছে শত শত বছর ধরে। সন্তানদের সামনে এভাবে জন্ম রহস্য হাট করে খুলে দেওয়ার কথা কার মাথায় প্রথমে এসেছিল, তা যদিও জানাতে পারেননি কোনও নৃতত্ত্ববিদ।

প্রাচীন মিশর

প্রাচীন মিশরের অধিবাসীদের হস্তমৈথুনের প্রতি ভয়ানক আকর্ষণ ছিল। তারা বিশ্বাস করত নীল নদের জোয়ার ভাটা নির্ভর করে, সৃষ্টির দেবতার বীর্য নির্গমণের ওপর। সেই জন্য দলবেঁধে নীল নদের জলে নেমে হস্তমৈথুন করার প্রথা প্রচলিত ছিল। হাজার হাজার পুরুষ দলবেঁধে, বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে, হস্তমৈথুন করতে যেতেন নীল নদের তীরে। নীল নদের জলে বীর্যপাত করার ফলে নাকি নীল নদের জলের ফসল ফলানোর ক্ষমতা বৃদ্ধি পেত। এছাড়া ফারাওদের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধিকারী দেবতা ‘মিন’-এর কৃপা লাভের জন্য, ‘মিন’-এর বাৎসরিক উৎসবের সময় পুরুষরা জনসমক্ষে হস্তমৈথুন করতেন।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top