মিথ্যামেশিন


প্রকাশিত:
৩ এপ্রিল ২০২১ ২১:৩২

আপডেট:
৪ এপ্রিল ২০২১ ১৮:৩৪

১.
নীল ও আসমানের নীচে স্বাধীনতা মুক ও বধির। ভাষাও নির্বাক হয়ে তাকিয়ে আছে বদ্ধ জনপদের দিকে। মানুষের মুখগুলি প্রত্যয়হীন। সন্ত্রস্ত, ভীত ও ভয়াবহ মারমুখি, যেন তেড়ে আসছে গভীর সুনামি!

রক্ত, পুঁজ আর আবর্জনার দুর্গন্ধভরা দেশে ইতর পকেটগুলো ফুলে উঠছে বেহায়ার মতো। আপন গারদে বসে যারা ভাবছে পাখির ওড়াউড়ির কথা, তাদের তর্জনীও ক্লান্তকাতর, তারা মাথা নিচু করে মেনে নিছে দাসের জীবন!

যত না কুয়াশা তার চেয়ে বেশি হিম, তারও চেয়ে মানুষের চলাফেরা নিয়ম করে মেপে চলে রেলপাতের মতো। কেবল কথা বললেই বিপদ এমন নয়; বরং তুমি চুপচাপ শুয়ে আছ বলেই ওরা ভাবছে ফন্দি আঁটছ, গভীর ষড়যন্ত্র মনে নিয়ে যেমন মাছ ঘুরে বেড়ায় জলে! এমন দুর্গন্ধ হাওয়ায় আমরা কাতরাচ্ছি, ভাবছি, যেকোনো সময় চলন্ত ট্রাকের নিচে খুন হলে, গুম হলে..., অথবা ধরো, যেভাবে বেড়ে উঠছে আগাছা তার চেয়েও বেশি তরতর করে জলের জোয়ারের মতন বাড়ছে ধর্ষণ...! এমন কর্ষিত ভূখণ্ড কোথাও নাই আলো ফুরিয়ে আসছে অণ্ডকোষে তা দিচ্ছে ভাড়াটে বুদ্ধিজীবী, কবি ও লেখক যেন দাসত্বের জৌলুসে উন্মত্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে অন্ধকারে!

একটার পর একটা আলোকবর্তিকা নিভে যাচ্ছে প্রতিদিন হাওয়া হচ্ছে ব্যাংক, দিনের পর দিন জাস্টিস বলে চেঁচিয়ে মরছে কতিপয় পাগল আর উড়োজাহাজ করে প্রতিদিন পাচার হচ্ছে মানুষের মায়া!

দেখতে পাচ্ছি, দালাল ও ফতোয়াবাজরা মুখর হয়ে উঠছে, দেখতেই পাচ্ছি, খুবই স্পষ্ট,
ধর্মনিরপেক্ষতা, প্রগতি ও চেতনার লেবাসে কী করে তা দিচ্ছে অন্ধকার একপাল বনমানুষের দল ও দাস! আর আপন জীবন বিক্রি করে ওদের পিছু পিছু ঘুরছে দালাল, লাঠিয়াল পেটুয়া সদস্য, মিডিয়াবাহিনি, খিস্তিখেউরে বেড়ে ওঠা গোলামের দল!

শুনো, এইদেশে প্রহসনই ভরসা একমাত্র। আর যত বেফাঁস গালভরা বুলি শুনো দিনরাত, সেসব মিথ্যামেশিনের মাজেজা কেবল, রাজনীতিকের স্বৈরঅলংকার! দেখ, অবিরাম উন্নয়ন-ক্যান্সারে ভেসে যাচ্ছে নগরের রাস্তাগুলি, যেখানে আমাদের অক্লান্ত পা থেমে গেছে। তুমি তো জানোই, দৌড়াতে না জানলে পা অযথাই পা! অথচ বেহায়া মুখের
কোনো লাগাম নেই পাখিদের ওড়ার স্বাধীনতার মতো তারা যেভাবে খুশি নিয়ম করে লুটে
খাচ্ছে সহজ সরল জনপদ।

আমাদের স্বাধীনতার গর্ভে তথাপি কিছু উজ্জ্বল মুখ আলোক ছড়ায় এখনো। স্বাধীনতা ব্যবসায় আঙুল ফুলে যেসব কলাগাছ এখনো দাঁড়িয়ে আছে সেসব তক্ষক অবশেষে গভীর গহ্বরে হারিয়ে যাবে একদিন, সমস্ত অভিশাপ নিয়ে।

শুনো, জলের কল্লোলে একদিন ছড়িয়ে পড়বে আলোকের গান। যত বিবমিষা, যত ঘৃণ, লোভ, দালালি-দাসত্ব লোপ পেয়ে জনপদে নাচবে হীরকের আকাক্সক্ষা। স্বপ্ন ফলবান হয়ে জেগে উঠবে পূর্বপুরুষের গৌরবস্মৃতি। আমাদের নিঃস্বাসে ছড়াবে সুগন্ধ।

জাগো, রূপকথা হয়ে ওড়ে ওড়ে ছড়াও নতুন গান। ক্লান্তি শেষে বসন্ত উদযাপন করে ওড়াও আনন্দ, মুক্ত হাওয়ার ডানায়। দিনের পর দিন জাস্টিস বলে চেঁচিয়ে মরছে কতিপয় পাগলÑ আর উড়োজাহাজ করে প্রতিদিন পাচার হচ্ছে মানুষের মায়া!

দেখতে পাচ্ছি, দালাল ও ফতোয়াবাজরা মুখর হয়ে উঠছে, দেখতেই পাচ্ছি, খুবই স্পষ্ট,
ধর্মনিরপেক্ষতা, প্রগতি ও চেতনার লেবাসে কী করে তা দিচ্ছে অন্ধকার একপাল বনমানুষের দল ও দাস! আর আপন জীবন বিক্রি করে ওদের পিছু পিছু ঘুরছে দালাল, লাঠিয়াল পেটুয়া সদস্য, মিডিয়াবাহিনি, খিস্তিখেউরে বেড়ে ওঠা গোলামের দল! শুনো, এইদেশে প্রহসনই ভরসা একমাত্র। আর যত বেফাঁস গালভরা বুলি শুনো দিনরাত, সেসব মিথ্যামেশিনের মাজেজা কেবল, রাজনীতিকের স্বৈরঅলংকার!

দেখ, অবিরাম উন্নয়ন-ক্যান্সারে ভেসে যাচ্ছে নগরের রাস্তাগুলি, যেখানে আমাদের অক্লান্ত পা থেমে গেছে। তুমি তো জানোই, দৌড়াতে না জানলে পা অযথাই পা! অথচ বেহায়া মুখের কোনো লাগাম নেই পাখিদের ওড়ার স্বাধীনতার মতো তারা যেভাবে খুশি নিয়ম করে লুটে খাচ্ছে সহজ সরল জনপদ।

আমাদের স্বাধীনতার গর্ভে তথাপি কিছু উজ্জ্বল মুখ আলোক ছড়ায় এখনো। স্বাধীনতা ব্যবসায় আঙুল ফুলে যেসব কলাগাছ এখনো দাঁড়িয়ে আছে সেসব তক্ষক অবশেষে গভীর গহ্বরে হারিয়ে যাবে একদিন, সমস্ত অভিশাপ নিয়ে।

শুনো, জলের কল্লোলে একদিন ছড়িয়ে পড়বে আলোকের গান। যত বিবমিষা, যত ঘৃণ, লোভ, দালালি-দাসত্ব লোপ পেয়ে জনপদে নাচবে হীরকের আকাক্সক্ষা। স্বপ্ন ফলবান হয়ে জেগে উঠবে পূর্বপুরুষের গৌরবস্মৃতি। আমাদের নিঃস্বাসে ছড়াবে সুগন্ধ।
জাগো, রূপকথা হয়ে ওড়ে ওড়ে ছড়াও নতুন গান। ক্লান্তি শেষে বসন্ত উদযাপন করে ওড়াও আনন্দ, মুক্ত হাওয়ার ডানায়।

২.
আমাদের মৃত্যুর নাম সংখ্যা। আর কবরের নাম মহামারী। মারণাস্ত্র বলতেই অ্যাম্বুলেন্স ও বিষন্ন হাসপাতালের মুখ! বিধ্বস্ত আইসিইউর শেষপ্রান্তে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকা অসহায় ডাক্তার আযরাইলের দারোয়ান। সংখ্যার কাছে হেরে গিয়ে অভিশপ্ত নার্সরা লাশের গায়ে টিকিট লাগানো কারিগর।

গন্ধমলোভী পতিত আদম এত এত প্রণোদনার পরও মুখের অবিশ্বস্ততা নিয়ে জগতের বাঁকা মেরুদণ্ডের ওপর দিয়ে হাঁটছে মরণব্যবসার মুনাফায়! পুলসেরাত বলতে কিছু নাই দুনিয়ায়!অগণিত সংখ্যার কাঁধের ওপর বসে দিনরাত যেসব নোট আওড়াচ্ছে মুনকির-নেকির ওরা রাষ্ট্রীয় হারামির ভাইবোন! মৃতের কথা বলতে গিয়ে সংখ্যা, সংখ্যা বলতে গিয়ে মেটাফিজিক্স! আর মানচিত্রের নামের পাশে ক্রসচিহ্ন এঁকে দিয়ে যেসব স্বাস্থ্যজ্ঞ পর্দায় ভাসছে ওরা হাসপাতালের মুখের থুথু টুথপেস্ট আর ব্রাশের দায়িত্বে কাতর! এদের সবার অসহায়ের কাছে মার খেয়ে মরে যাচ্ছে কবরের প্রশান্তি!

সংখ্যার অধিক মৃত্যুর কেনো নাম নেই মরা দোযকের কাছে। কবরের কাছে রাষ্ট্রীয় উপেক্ষা অনর্থসূচক। মানুষ কেবলি সংখ্যা, আর সংখ্যাগুলি একেকটা মিগ-২৯ মহাপরিক্রমের বুকের দিকে তাক করে আছে! এমন বিনাশ থেকে মানুষের সম্মিলনই কেবল জাগাতে পারে স্বপ্ন ও সম্ভাবনা ।

৩.
এই যে সকাল থামেন।
দুপুর হইতে না-পারার বেদনা লয়া দাঁড়ায়া থাকেন। এক পায়ে। আকাশের দিকে মুখ তুলে। দেখেন, সূর্য ঢাকা পড়ে আছে মেঘে। মানুষের কত মুখ মুখোশে ঢাকা? আর কত কত বুকের পাঁজর ভেঙ্গে কাতরাচ্ছে রাষ্ট্রের পাটাতনে তার হিসাব টুকে রাখেন।

মানুষের অপমান সইতে না-পারার অক্ষমতা নিয়া দাঁড়ায়া থাকেন। দেখেন, দৌড়াইতে না-পারার অপারগতায় কত মানুষ পা-কে অভিশাপ দিচ্ছে। মুখ আছে অথচ জবান বন্ধ। কান আছে শুনতে পাচ্ছে না, চোখ, সে দেখছে না কিছুই! এদের সকলের হাহাকারগুলা একসাথে জড়ো করে বিকাল পর্যন্ত গড়াইতে না পারার অসহায়ত্ব নিয়া আহাজারি করেন।

সূর্যাস্তের দিকে যাইতে না পারার আর্তনাদ নিয়া দেখেন, মানুষের জীবন কেমন আটকে আছে ভরা-কান্না আর অসহায়ের ভিতর। একটি পূর্ণ দিবস হইতে না-পারার যতটুকু আক্ষেপ ও কাতরতা, যতটুকু বিষাদ ও আর্তি আছে, সবটুকু একসাথে মিশায়া দেখেন, রাষ্ট্র ও তার কুশলীদের হটকারিতার কাছে মানুষের কী অসীম বিপন্নতা! হাত বিশ্বাস করছে না আঙুল। না ঠোঁট বিশ্বাস করছে মুখ। জিহ্বাও ছোট হয়ে আসছে ক্রমাগত। অথচ প্রতিটা জীবন মূল থেকে বেড়ে আকাশ স্পর্শ করতে চেয়েছিল। এই যে সকাল, এবার আপনি যান। দেখেন, কী আড়ষ্টতা ঘিরে আছে সময়! আলোকোজ্জ্বলহীন ম্লান দুপুর, নিস্তেজ বিকাল আর ঘনঘোর স্বেচ্ছাচারী সন্ধ্যার কাছে আপনি কতটা বিধ্বস্ত, অসহায় আর অনুকম্পাময়!

৪.
কী একটা নাদান আমি!
বড় বড় লোকদের লগে আমার কোনো ছবি নাই। না কোনো সেল্ফি। ফলে তাদের কেউ কেউ মইরা গেলেও ফেসবুকে কোনো পোস্ট দিতে পারি না। আমার এই ব্যর্থতার খেদে পিঁপড়ার দল গো ধরছে। রাগরোষে লাইন ছেড়েছুড়ে তারাও দিগে¦দিক ঘুরতেছে, মহামারী নিয়া। সঞ্চয়প্রবৃত্তি জলাঞ্জলি দিয়া যেন তারা প্রতিবাদ করতাছে!

আমার কোনো ছবি নাই ক্ষমতাওয়ালাদের সাথে। নামীদামি কবি, অধ্যাপক, ব্যবসায়ী, কর্পোরেট মালিক, মন্ত্রীমিনিস্টার, টাকাওয়ালা স্টার, বিমানে, রেলে, বারে, কনসার্টে, মিটিংয়ে, এমনকি জুয়ার আসরে যেসব কুতুব আর সুশীল, সুন্দরীদের লগে দেখা তাদের সাথেও না! এই নাদানের দিকে ভুলেও তাকায় নাই ক্যামেরার চোখ! আমার কোনো ছবি নাই, গভীর শ্রদ্ধা জানাতে মৃত্যুর রাজনীতিওে সামিল হইতে পারি নাই কোনোবার। যদিও মনে হয়, প্রত্যেকটা মৃত্যু যেন আমারও খানিক মরণ! আমেরিকা দিব্যি লাদেনের লাশ সাগরে ভাসায়া দেয় লাফায়া লাফায়া; শহীদ মিনারও বলি হয় মরণের রাজনীতি লয়া! সেসব কেবলি খুবলায়! তবুও প্রতিদিন মানুষ মারা যায়!

যারা সরকারের পাছায় পাছায় ঘুরে, তেল দেয়, ক্ষমতার রোশনাইয়ে যাদের গা ঝলঝল করে, বড় বড় প্রকল্পের ধরি মাছ না ছুঁঁই পানিওয়ালা যারা, তাদের লগেও ছবি নাই! নাই জাতীয় মোড়লদের সাথে যারা জাতির ক্রান্তির সময় মুখে তালা দিয়া সমর্থন দিচ্ছে ফ্যাসিবাদ। ছবি নাই, এই খেদে ফটোশপে কিছু ছবি ম্যানিপুলেট করার কথা ভাবছে খোদ কম্পিউটার!

ভাবতেছে, কপিমেশিনে ছেপেছুপে ছেড়ে দিবে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এতে করে বড়লোক
ক্ষমতাওয়ালা, সরকারের মোসাহেবওয়ালারা যখন যখন মারা যাবে, এমনকি করোনার পরেও, সেই ছবিগুলান পোস্ট করবে। তখন লোকজন ছবি দেইখা বাহবা দিবে, ভাববে, আহা, আমি কতই না বড়লোক, পণ্ডিত, ক্ষমতাওয়ালা! ফেসবুক ভাইসা যাবে আর আমার কদর বাড়বে এই ছলে! টিভিগুলা ডাকবে মিডিয়া ট্রায়ালে সায় দিতে!

আমি নাকি তখন আরো আরো বেশি কইরা ঘাস কাটতে পারবো সরকারের গোয়ালের জন্য। তাদেরও খাবার দরকার। আমি নিমিত্ত হলে বড় সুবিধা তাতে! এই নিয়া আমারও মনে হয়, আহা যদি ছবিটবি থাকতো তাইলে নিজের ক্ষমতারে একেবারে ঢেল মাইরা বুঝাইয়া দিতাম মুই কী হনুরে! স্বৈরপুকুরে গিয়া ডুব দিতাম মহাখুশিতে! ওরা কেউ বুঝলে লাই!

মনে হইতাছে, পাখি ও সবুজ ঘাসেদের সাথে, নক্ষত্র ও পূর্বপুরুষের ইতিহাসের সংগ্রাম ও
আনন্দের সাথে, জলকল্লোলের ধ্বনি ও বাতাসের শব্দের সাথে, মহিমার বাগান ও শেকড়বাকড়ের সাথে কত ছবি তুলে জমা রাখছি কলিজার ভেতরে!

আর তোমারে পাইলে তো কোনো কথা নাই! কিন্তু তুমিও যে উইড়া গেলা উত্তরে, পাখির ডানাগুলা নিয়া তাইলে আমি কারে দেখি, কার লগে ছবি তুলি, সখি! নিজেরে প্রকাশের বাসনা আমার গেল না রে সই!

৫.
চলো, প্রাইভেট বা ভাড়া করা কারে করে বাড়ি যাই। যাইতে যাইতে পথে সূর্যের হেলে পড়ার
সাথে সাথে কিছুটা সুন্নত আদায়ে ইফতারিতে সামিল হয়া একপাতে বুটমুড়িছোলা আর
জিলাপি মাখায়া খাই। তারপর ফরজ আদায়ে গিজগিজ করা মুসল্লিদের লগে মসজিদে গিয়া
সালাত আদায় করি।

হেরপরে আন্ধার নামিয়া এলে চার জনের সিটে বসা সাত জনে মিলে কার থামায়া স্টলে গিয়া চা-চু খাই। হেরপরে আরও কিছুটা দূরে গিয়া খিদা যদি বেশি লাগে, বাজারের লগে ভরা-রেস্টুরেন্টে গিয়া গরু মাংস দিয়া পুলিশ ভাইগোরে নিয়া পেটপুরে খায়া লই।
আরো আরো দুই-চার বার তেলগ্যাস নিতে গিয়া টংয়ের দোকানে লোকজনের লগে কিছুটা
আলাপ জমায়া চা’র কাপে চুমা দিয়া গোপন আন্ধারে ঠোঁটেরে জড়ায়া চলো আমরাও খাই
কিছু উত্তাপ, আর এই মাস্কপরা ডিস্টেন্সিংয়ের যুগে মনোতাপে পরস্পর জড়ায়া অনুরাগে আটকে রাখি কিছুটা সময়, দেহযোগ করে।

জানো তো, করোনা কারে ওঠে না! হেরা কেবল গণপরিবহনে চড়ে আর আনন্দ করে করে ধরে গরিব মানুষেরে! আর তিরিশ তারিখের নির্বাচনরে পিছনে ফালায়া কী সুন্দর সোনার বাংলা আজ সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড হয়া যায়, একই কাতারে আক্রান্ত করে, তিরিশ হাজারে! এসবে ভাবনা নাই, বরং চলো, তা-না-না করে শত শত মাইল পার হয়ে লোকজন জড়ায়ে কারে (যম)বাড়ি যাই!

আমরা অতটা গরিব নই! সাতপাঁচ চিন্তা নাই, কারে যাই, কারে করে ফূর্তিতে মন ভরে করোনার মারে বুড়া আঙুল দেখায়া কই থিকা কই উড়ায়া লয়া যাই, আমাদের চুলের নিশানাও সে টের না পায়! রাষ্ট্রও ছিঁড়তে পারে না কোনো চুল, ক্ষমতার যেমন!

চলো, সখি, আনন্দে আত্মহারা হয়া দুজনে সাতজনের লগে মিইশা গিয়া সামাজিক দূরত্ব
মানিয়া করোনারে থুয়া বাড়িঘরে যাই! ঈদ খাই, আনন্দ পাই, মরে যাই!




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top